পুলিশ ও হিজড়ার গল্প

পুলিশ কর্মকর্তার বাসায় নতুন শিশুর আগমন ঘটেছে। এদিকে পুলিশ সদস্যের কোভিড ১৯ এ আক্রান্ত হয়ে হসপিটালে ভর্তি। এ অবস্থায় বাসায় হিজড়াদের আগমন। তারা শিশুর জন্য 10000 টাকা দাবি করে। পুলিশ এর পরিবার 2000 টাকা দিলেও ওরা নিচ্ছে না। পরিবার টি অসহায় হয়ে তার স্বামী কে ফোনে জানায়। কিন্তু তিনি তো আইসলেশন এ। কিছুই করার নাই। এ দিকে এদিকে হিজড়াদের টাকা না দিলে কিছুতেই যাচ্ছে না। উৎসুক জনতা বাসার সামনে ভিড় করে আছে। অফিসার বাধ্য হয়ে থানায় ফোন দিল। যথারীতি কিছু সময় পর থানার অফিসার গাড়ি নিয়ে হাজির। তারা সব শুনে 3000 টাকা হিজড়াদের দিতে বলল। সব ফয়সালা শুনে অফিসার মনে কষ্ট পেল এই ভেবে যে, এতগুলো লোকের সামনে একজন পুলিশ সদস্য হয়ে যদি হিজড়াদের পুলিশের মধ্যস্থতায় টাকা প্রদান করতে হয় তবে সাধারন পাবলিক কি ধরে নিবে? তারা কত অসহায়??? কিন্তু কিছুই করার নেই ভেবে বাধ্য হয়ে নিজের নৈতিক পরাজয় মেনে হিজড়াদের কে 3000 টাকা দিতে বাধ্য হল।
বর্তমান পরিস্থিতিতে একজন পুলিশ সদস্য মানুষের সেবায় নিয়োজিত থেকে নিজে করোনা আক্রান্ত হল। বিনিময় সমাজ থেকে কি পেল? হিজড়া সম্প্রদায়ের কাছে কি পুলিশ অসহায়? লজ্জা কি সেই পুলিশ সদস্যের নাকি সমগ্র পুলিশের? দুঃখটা হলো এই সময়ে মানুষ একজন করোনা আক্রান্ত ব্যক্তির পাশে দাঁড়ায় আর এক্ষেত্রে হিজড়ারা চাঁদাবাজি করতেছে আর পুলিশ এর সাহায্য পাওয়া যাচ্ছে না। পুলিশ এগিয়েে এলে,উল্টা পুলিশের পকেট থেকে টাকা খরচ।এই খরচের টাকা পুলিশকে কে দেব? এই গল্প দ্বারা আবার প্রমাণ হল পুলিশ জনগণের আর জনগণ পুলিশের।পুলিশ জনগণে বন্ধু , শত্রু না।পুলিশ দেশ ও জনগণের সে সেবা করে তা যদি মানুষ একটু ভাবতো। তা হলে পুলিশের সেবা দিনকে দিন আরো বাড়তো।বিশ্বে সর্ব প্রথম হয়রত ওমর রা: পুলিশ বাহিনী গঠন করেন। একমাত্র দেশ ও জনগণের সেবার জন্য।
Share on Facebook

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *